বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৪৮ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রামব্যাপি দৈনিক প্রিয় চন্দনাইশে নিয়োগ চলছে ।আজই আপনার সিভি আমাদের মেইল করুন । আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন ।

পরী-সাকলাইনের ভিডিও ফাঁস হলো কিভাবে?

সংবাদ দাতা
  • প্রকাশিত : বুধবার, ১১ আগস্ট, ২০২১
  • ৩৩ জন পড়েছেন

ঢাকা বোটক্লাব কাণ্ডের পর থেকে অধিক আলোচনায় আসা চিত্রনায়িকা পরীমণি ও ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) গোলাম সাকলায়েন শিথিলের জন্মদিন পালনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমেরিকা প্রবাসী একটি বেসরকারি টেলিভিশনের সাবেক সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইনের ইউটিউব চ্যানেলে মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) সন্ধ্যার দিকে ভিডিওটি আপলোড করা হয়।

ভিডিওর ক্যাপশনে লেখা ছিলো, ‘পরীমণি ও পুলিশ কর্মকর্তা সাকলায়েনের গোপন ভিডিও! সাকলায়েন পরীমণির সঙ্গে তার অবৈধ সম্পর্কের কথা অস্বীকার করলেও তাদের গোপন একটি ভিডিও আমাদের কাছে পাঠান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেকজন পুলিশ কর্মকর্তা।’

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে বসে প্রবাসী সাংবাদিক ইলিয়াস কীভাবে গোপনীয় এ ভিডিও সংগ্রহ করলেন? কে বা কারা তাকে ভিডিওটি পাঠিয়েছেন? তা নিয়ে নানা মহলে আলোচনা চলছে। সাংবাদিক ইলিয়াস ভিডিওর ক্যাপশনে ‘একজন পুলিশ কর্মকর্তা’র কাছ থেকে ভিডিওটি সংগ্রহ করেছেন বলে দাবি করেন।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, ‘পেশাদার বাহিনীর সদস্য হিসেবে পুলিশের কেউ এ ভিডিও ছড়াতে পারে না। তাছাড়া এ ভিডিও পুলিশের হাতে আসার কথা নয়। পুলিশ যেসব ফৌজদারি মামলা তদন্ত করছে, এ ভিডিও সেগুলোর মধ্যে কোনোটির আলামত নয়। মামলার আলামত না হওয়ায় এটি জব্দ করার প্রশ্নই ওঠে না। যিনি ভিডিওটি প্রবাসী সাংবাদিককে পাঠিয়েছেন, তিনি দুপক্ষের পরিচিত কেউ। ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের জন্যেই তিনি ভিডিওটি পাঠিয়েছেন।’

দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, ‘যে ভিডিওটি ফাঁস হয়েছে, সেটি ঈদের পর পুলিশ কর্মকর্তা সাকলায়েনের বাসায় ধারণ করা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন পরীমণি, তার কস্টিউম ডিজাইনার জিমি এবং তার গাড়ি চালক। জিমি মূলত সেই ভিডিওটি ধারণ করেছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা মহানগর ডিবি পুলিশের হেফাজতে রিমান্ডে রয়েছেন।’

একই সূত্র জানায়, ‘সাকলায়েনের বাসার নিচের সিসি ক্যামেরার যে ফুটেজ ফাঁস হয়, সেটিও কোনো পুলিশ সদস্যের মাধ্যমেই হতে পারে। কারণ এ কর্মকর্তা রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের ভেতরে একটি ভবনে থাকতেন। সেই ভবনের পুরো দায়িত্ব পুলিশের হাতেই।’

ভিডিও ফাঁস করা এবং প্রবাসী সাংবাদিককে পাঠানোর অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তারের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-মিডিয়া) মো. সোহেল রানা ওই বলেন, ‘পুলিশ কর্মকর্তাসহ সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য আচরণবিধি রয়েছে। এছাড়া, দেশে প্রচলিত আইন রয়েছে। কোনো কর্মকর্তা যদি আচরণবিধি বা আইন লঙ্ঘন করেন, তাকে তার দায় নিতে হবে। পরীমণিকে নিয়ে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তের জন্য ইতোমধ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি কাজ করছে। ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করার কথা রয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পেলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

পরীমণিকাণ্ডে আলোচনায় আসায় এডিসি সাকলায়েন ডিবি থেকে বদলি হয়ে ইতোমধ্যেই পুলিশের পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্ট (পিওএম) পশ্চিম বিভাগে যোগদান করেছেন। তিনি সেখানে নিয়মিত অফিস করছেন বলেও জানা গেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এই পোর্টালের কোনো লেখা বা ছবি ব্যাবহার দন্ডনীয় অপরাধ
কারিগরি সহযোগিতায়: ইন্টাঃ আইটি বাজার
shuvo
%d bloggers like this: