বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:২৮ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রামব্যাপি দৈনিক প্রিয় চন্দনাইশে নিয়োগ চলছে ।আজই আপনার সিভি আমাদের মেইল করুন । আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন ।

করোনার প্রভাবে চন্দনাইশে পোল্ট্রি ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত

মো.আমিনুল ইসলাম রুবেল (বার্তা সম্পাদক)
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১০ আগস্ট, ২০২১
  • ১১৭ জন পড়েছেন

 সারা দেশের ন্যায় চট্টগ্রাম জেলার চন্দনাইশ উপজেলার পোল্ট্রি ব্যবসায়ীদের ব্যাপক লোকসান গুনছে পোল্ট্রি খামারিরা। আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখা এই পোল্ট্রি শিল্প আজ ধ্বংসের পথে। করোনার প্রভাবের কারণে অনেক মুরগির খামার এখন প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। হতাশায় দিন গুনছে পোল্ট্রি খামারিরা। যে কোন সময়ে বন্ধ হয়ে যেতে পারে এই শিল্প। করোনা ভাইরাসের প্রভাবে বন্ধ রয়েছে হোটেলও দোকানপাট বিয়ে,সামাজিক অনুষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকার ফলে কমেছে পোল্ট্রি মুরগি দাম। চরম লোকসান গুনতে হচ্ছে পোল্ট্রি খামারিদের। পোল্ট্রি খামারীদের সূত্রে জানা যায় বয়লার, লেয়ার ও সোনালি কক মুরগির অনেক খামার রয়েছে। প্রায় সব খামারই ছোট বা মাঝারি ধরণের। তবে ব্রয়লার মুরগির খামারই বেশি। কয়েকজন খামারিদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, করোনা ভাইরাস বিস্তারের আগে বয়লার মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হতো ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকায়। বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকায়। প্রতিদিনই কমছে মুরগির দাম। উপজেলার বরমা ইউনিয়নের রাউলিবাগ গ্রামের খামারি ইমরান হোসেন জানান, ডিলারের কাছ থেকে মুরগির বাচ্চা কিনেছিলাম ২৫ টাকা পিচ ও খাদ‍্য কিনেছি ৫২টাকা কেজি, ওষুদের খরচ ১৫ অন্যান্য খরচ ১৩ টাকা। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগিতে খরচ হচ্ছে প্রায় ১০৫ টাকা। এখন সেই মুরগি ২০থেকে-২৫ টাকা লোকসানে বিক্রি করতে হচ্ছে। দুটি খামারের মুরগি বিক্রি করে গত সপ্তাহে প্রায় ৮০হাজার টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে। ইমরান হোসেন আরো জানান, আমাদের ব্যবসা করতে হয় বড় ডিলারদের সাথে আমারা বাকি-নগদে মুরগির খাদ্য ও ওষুদের যোগান নিয়ে থাকি। বর্তমান পরিস্থিতিতে মুরগির চাহিদা না থাকায় আনেক খামারি প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানান । নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন খামারি জানান,সমিতি ও এনজি থেকে ঋণ নিয়ে খামার চালাতেন। এখন করোনার কারণে লোকসান গুনে পথে বসার উপক্রম হয়েছে। জীবন বাঁচাতে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে সংসার চালাচ্ছেন। করোনার প্রভাবে খামারিরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে মুলত লকডাউনের জন‍্য। কারন লকডাউনে গাড়ি ভাড়া বেশি পড়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে খামারিরা ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারবে।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এই পোর্টালের কোনো লেখা বা ছবি ব্যাবহার দন্ডনীয় অপরাধ
কারিগরি সহযোগিতায়: ইন্টাঃ আইটি বাজার
shuvo
%d bloggers like this: