চন্দনাইশ দোহাজারীতে হামলার শিকার পরিবারের সাংবাদিক সম্মেলন

চন্দনাইশ

চন্দনাইশ দোহাজারীতে হামলার শিকার পরিবারের সাংবাদিক সম্মেলন

দোহাজারী প্রতিনিধি:

চন্দনাইশ দোহাজারীতে হামলার শিকার পরিবারের মামলা তুলে নেওয়ার হুমকির প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন মাসুমের পরিবার। গত ৩০ ডিসেম্বর বিকালে দোহাজারী প্রেস ক্লাবের হল রুমে এই সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করেন অসহায় হামলার শিকার নির্যাতিত পরিবার। জানা যায়, গত ২৪ ডিসেম্বর ৩০ বছরের পুরোনো রাস্তার উপর প্রতিবন্ধিকতা সৃষ্টি করে ঘর নির্মাণ কাজে বাধা দেওয়ায় উপজেলা জামিজুরী গালিমের দীঘির উত্তর পাড় এলাকায় আজম ও নাজিম গং সন্ত্রাসী কায়দায় পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে মাসুমের পরিবারের ৫ সদস্যকে গুরুতর আহত করেন। আহতদের মধ্যে মিশকাত ও তাহেরা বেগম বর্তমানে চমেক হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। অন্যদিকে আসামীদের মধ্যে কয়েজন জামিনে এসে নির্যাতিত পরিবারকে মামলা তুলে না নিলে প্রাণ নাশের হুমকি দিচ্ছেন বলে জানান নির্যাতিত পরিবারের সদস্য মাসুম। সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নির্যাতিত মাসুম এইসব কথা বলেন। তিনি লিখিত বক্তব্যে আরো বলেন ৩০ বছরের পুরোনো রাস্তা উপর স্থানীয় মৃত আবু জাফর প্রকাশ-জহর আলীর পুত্র আজম (৩৩) ও নাজিম (২৬) ওই চলাচলের রাস্তার উপর জোর পূর্বক ঘর নিমার্ণের জন্য রাস্তার উপর খুঁটি ঘাড়ে। এসময় আমি দোহাজারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের একটি অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ এসে কাজ বন্ধ করে দেয়। পরবর্তীতে ৭ নভেম্বর বাদী হয়ে চন্দনাইশ থানা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবরে রাস্তা প্রতিবন্ধকতা নিয়ে লিখিত একটি অভিযোগ দায়ের করি। পরবর্তীতে আইয়ুব রাস্তার উপর আজম ও নাজিম গং কে খুঁটিগুলি তুলে ফেলার জন্য বলে। কিন্তু তারা তাদের কথায় কর্ণপাত না করে খুঁটিগুলো তুলে না ফেলায় আইয়ুব বাদী হয়ে চন্দনাইশ থানায় ১১ নভেম্বর একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে ভিত্তিতে চন্দনাইশ থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই সুজায়েত উভয় পক্ষকে ডাকে কিন্তু তার কোন কথায় আজম ও নাজিম গং কর্ণপাত না করলে পরবর্তীতে ১৪ ডিসেম্বর আদালতে আইয়ুব বাদী হয়ে একটি ১৪৫ ধারা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার খবর পেয়ে গত ২৪ ডিসেম্বর ভোর ৫টায় আজম গং বিভিন্ন অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে রান্না ঘর নিমার্ণের কাজ শুরু করে। এতে মাসুমের পরিবার বাঁধা দিলে তাদের উপর অর্তকিত হামলা চালায়। এসময় আবু জাফরের স্ত্রী তাহেরা বেগম (৩২), মৃত হাজী আবদুল মতলবের স্ত্রী ছখিনা বেগম (৫৫),মৃত হাজী মতলবের পুত্র মাসুম (৩০)তার ভাই মিশকাত (১৯) ও মোবারক আলীর পুত্র মো. আইয়ুব (৩২)। আহতদের মধ্যে অন্যান্যরা স্থানীয়ভাবে চিকিোৎসা নিলেও তাহেরা বেগম ও কলেজ পড়ুয়া মিশকাতের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদেরকে প্রথমে চন্দনাইশ হাসপাতাল পরে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে এখনো তারা জীবন মরণ সন্ধিক্ষণে রয়েছে। এ ঘটনায় ২৬ ডিসেম্বর চন্দনাইশ থানায় মাসুম বাদী হয়ে ৬ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করলে পুলিশ অদ্যাবধি কোন আসামীকে গ্রেফতার করতে পারেনি। অন্যদিকে আসামীগন জামিনে এসে তার পরিবারকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য প্রাণ নাশের হুমকি দিচ্ছে। এছাড়া প্রতিপক্ষ নিজেরা রাস্তা খুঁটি তুলে ও ঘর ভাংচুর করে তাদেরকে বিভিন্ন মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে লিখিত বক্তব্যে মাসুম উল্লেখ করেন।

Leave a Reply