অনিকের লেখক ও গীতিকার হয়ে উঠার পেছনের গল্প

বিনোদন

বিনোদন ডেস্কঃ ২০০৩ সালে মাত্র সাত বছর বয়সে লেখার কলম ধরেছেন অনিক। কবিতা দিয়ে শুরু হয়েছিলো অনিকের লেখার হাতেখড়ি। স্কুলের শিক্ষক সহপাঠী পরিবারের সদস্যরা তাকে লেখালেখিতে বেশ উৎসাহিত করেন। চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ থানার কাঁশারা গ্রামের কৃতি সন্তান অনিক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ সফিকুল ইসলাম পাটোয়ারী ও গৃহিণী শামীম আরা ইসলামের চার সন্তানের মধ্যে দ্বিতীয় অনিক।প্রতিবন্ধী হওয়ায় অনেকেই তাকে পাগল বলেছে তখন। গান করে দেবার কথা বলে করেনি অনেকেই। পরবর্তীতে তার লেখার তারাই প্রশংসা করেছে। লিখেছে দেয়ালিকায়, ম্যাগাজিনে। বর্তমানে দুটি যৌথকাব্য ও একটি একক কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। ২০১৯ এ তার যৌথকাব্যগ্রন্থগুলো হল “মেঘবালিকার কাব্যকথা” ও “নীলাঞ্জনার কাব্যকথন”। এবং একক কাব্যগ্রন্থ হল ” সময়ের সহযাত্রী”। ২০২০ এর অমর একুশে বইমেলায় বইটি প্রকাশিত হয়। এবং বইটি বেশ প্রশংসিত হয়েছে। কবিতা লেখার পাশাপাশি গান লেখাতেও ঝোঁক চোখে পড়ার মত। নিয়েছেন দেশবরেণ্য গীতিকারদের কাছ থেকে গীতিকাব্য লেখার তালিম। নিরলসভাবে লিখে যাচ্ছেন গানের কথা। জনপ্রিয় সংগীত পরিচালক অয়ন চাকলাদারের হাত ধরে ২০১৬ সালে সংগীতাংগনে গীতিকার হিসেবে পথচলা অনিকের। অনেক উদীয়মান ও জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী কণ্ঠ দিয়েছেন অনিকের কথায়। ২০১৭ সাল থেকে বাজারে এসেছে তার লেখা একের পর এক গান। সামনে আরো বেশ কিছু চমক নিয়ে আসছেন বলে জানান এই তরুণ কবি ও গীতিকার। এছাড়া চলছে দ্বিতীয় একক কাব্যগ্রন্থ “মুঠো ভরা রক্তগোলাপ” এর পান্ডুলিপি লেখার কাজ। এর জন্য অবশ্য আরেকটু সময় নিয়ে কাজ করবেন। আর লিখে ফেলেছেন নাটকের স্ক্রিপ্ট ও। তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া ও ভালোবাসা চান যেন নিজেকে ছাড়িয়ে নিতে পারেন প্রতিনিয়ত।

Leave a Reply