বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:৪১ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রামব্যাপি দৈনিক প্রিয় চন্দনাইশে নিয়োগ চলছে ।আজই আপনার সিভি আমাদের মেইল করুন । আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন ।

চন্দনাইশে শিম ও পেঁপে চাষ করে কৃষি বিল্পব ঘটিয়েছে প্রবাসী উদ্যোক্তা ফরিদ উদ্দিন

মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম রুবেল (বার্তা সম্পাদক)
  • প্রকাশিত : রবিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৫৬৩ জন পড়েছেন

চন্দনাইশে শিম ও পেঁপে চাষ করে কৃষি বিল্পব ঘটিয়েছে প্রবাসী উদ্যোক্তা ফরিদ উদ্দিন

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলায় শিম ও পেঁপে চাষে বদলে যেতে পারে কৃষি অর্থনীতি। অন্যান্য বছরের তুলানায় এ বছরও শিম ও পেঁপে চাষে ফলন ভালো হবে বলে আশা করেছেন চাষিরা। চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলা ১০টি ইউনিয়নের প্রায় এলাকায় কম বেশি শিম ও পেঁপে চাষ করেছে চাষিরা। তবে উপজেলার হাশিমপুর ৪ নং ইউনিয়ন এলাকার প্রবাসী মো.ফরিদ উদ্দিনের ৪একর জমিতে গড়ে উঠা শিম ও পেঁপে চাষ চোখে পড়ার মত। শিম ও পেঁপে চাষ বিভিন্ন রকমারির শবজির মধ্যে পুষ্টিমান সমৃদ্ধ জনপ্রিয় সবজি। এ শিম ও পেঁপে চাষে ভাগ্যের পরিবর্তন করে পরিবারে সচ্ছলতা আনতে পারে। সমৃদ্ধ করতে পারে কৃষি অর্থনীতিকে।
তরুন উদ্যোক্তা মো.ফরিদ উদ্দিন জানান, শিম ক্ষেত আবাদে খুব বেশির জমির দরকার হয় না। আলাদা জমি ব্যবহার না করেও অন্য ফসলের মাঝে এ শিম আবাদ করতে পারেন। এ ছাড়া ফসলি জমিতেও শিম বীজ রোপন করে তা ফলন করা যায়। বর্ষাকালে বিভিন্ন সবজি চাষ শেষ হয়ে গেলে শীতের আগমনের আগে ভাদ্র আশ্বিন মাসে শাক সবজির ঘাটতি দেখা দেয়। এ সময় বিভিন্ন জাতের শিম চাষ করে সবজির ঘাটতি পুরণ করতে পারে। তার পাশাপাশি রেডলেডি’ জাতের পেঁপে চাষ করেও ভাল বাম্পার ফলন হয়েছে। রেডলেডি পেঁপে বেশ সুমিষ্ট হওয়ায় বাজারে এর চাহিদাও ব্যাপক। তার মতে কৃষি অর্থনীতিকে বদলে দিতে পারে এ শিম ও ‘রেডলেডি’ জাতের পেঁপে চাষ করে। জানা যায়, হাশিমপুরে গড়ে উঠা ফরিদ উদ্দিনের ৪ একর জমির মধ্যে ২একর জমিতে তিনি শিম চাষ ও ২ একর জমিতে পেঁপে চাষ করেন। তার এই ক্ষেতে খরচ হয় মোট ৯লক্ষ টাকা। এর মধ্যে শিম ক্ষেতে ৪লক্ষ ও পেঁপে ক্ষেতে ৫লক্ষ টাকা। যার বর্তমান মূল ১৮ লক্ষ টাকা। বতমানে দক্ষিণ চট্টগ্রামে চন্দনাইশে দশটি ইউনিয়নের সর্বত্রে এলাকায় বিপুল পরিমানে শিম ও পেঁপে চাষের ফলন হচ্ছে। উষ্ণ ও আদ্র আবহাওয়ায় এবং দোঁআশ মাটিতে ভালো ফলন হয় এই ক্ষেতে। আষাঢ়ের বর্ষা মৌসুমে ছড়া দামে এ শিমের বীজ বিক্রি করে বিভিন্ন হাট বাজারে। ক্ষেতের পরিচর্যা কারি মো.সাখাওত হোসেন জানান, প্রতি কানি জমিতে বর্তমান শিম চাষে ৬০-৭০ হাজার টাকা খরচ হয় চাষিদের। বর্তমান বাজারে শিমের প্রতি কেজি বিশ থেকে ত্রিশ টাকা এবং শিমের বীজ প্রতি কেজি একশ থেকে আশি টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অপরদিকে পেঁপে চারা রোপণের ৫-৬ মাসের মধ্যে ফুল আসে এবং ৭-৯ মাসের মধ্যে প্রথম ফল পাওয়া যায়। লাল-সবুজ রঙের প্রতিটি পেঁপের ওজন হয় দেড় থেকে দুই কেজি। খেতে সুমিষ্ট এ পেঁপে সুগন্ধিযুক্ত। কাঁচা ও পাকা উভয় প্রক্রিয়াতেই বাজারজাত করা যায়। পাকা পেঁপে খুব সহজে নষ্ট হয় না বলে বাজারজাত করা সহজ হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এই পোর্টালের কোনো লেখা বা ছবি ব্যাবহার দন্ডনীয় অপরাধ
কারিগরি সহযোগিতায়: ইন্টাঃ আইটি বাজার
shuvo
%d bloggers like this: