গাছবাড়ীয়া সরকারী কলেজ এক্স-ক্যাডেট এসোসিয়েশনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

চন্দনাইশ

গাছবাড়ীয়া সরকারী কলেজ পাঙ্গনে গাছবাড়ীয়া সরকারী কলেজ এক্স-ক্যাডেট এসোসিয়েশনের বৃক্ষরোপণ করেন।

‘মুজিববর্ষের আহ্বান, লাগাই গাছ বাড়াই বন’ প্রতিপাদ্য ধারণ করে সারা দেশে পালিত হচ্ছে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। এর ধারাবাহিকতায় গাছবাড়ীয়া সরকারী কলেজ এক্স-ক্যাডেট এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ। আজ শ্রক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর ) বিকেলে গাছবাড়ীয়া সরকারী কলেজ প্রাঙ্গনে এসোসিয়েশনের যুগ্ন-আহবায়ক মোঃ জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে চারা রোপণের মাধ্যমে এ কর্মসূচি পালিত হয়। এতে উপস্থিত অত্র এসোসিয়েনের যুগ্ন-আহবায়ক মোঃ জাহিদুর রহমান চৌধুরী,যুগ্ন-আহবায়ক মীর খালেদ মাহমুদ বাবর ও যুগ্ন-আহবায়ক হুমাইরা সুলতানা সহ এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ।এ সময় অত্র এসোসিয়শনের যুগ্ন-আহবায়ক মোঃ জাহিদুর রহমান চৌধুরী বলেন, করোনাভাইরাস যদিও আমাদের সব অগ্রযাত্রা সাময়িকভাবে থামিয়ে দিয়েছে, আমরা খুব দ্রুত এর থেকে মুক্তি পাবো এবং আমরা আবারও এগিয়ে যাব। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা করা যেমন দরকার, তেমনি দরকার জনগণের খাদ্য ও পুষ্টি। সারা দেশে এক কোটি চারা বিতরণ ও রোপণ কর্মসূচিটি নিঃসন্দেহে ইতিবাচক। স্মরণ করা যেতে পারে, স্বাধীনতার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজে বৃক্ষরোপণ করে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছিলেন। এবার মুজিববর্ষ উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী বিশেষভাবে পালিত হচ্ছে। বস্তুত ফলদ, বনজ ও ভেষজ- এ তিন ধরনের বৃক্ষরোপণের যে তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী, তা শুধু আর্থিকভাবেই দেশের জন্য ফলপ্রসূ হবে না, সারা দেশে সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও সহায়ক হবে। দেশে বায়ুদূষণ থেকে শুরু করে নানা ধরনের দূষণ বিরাজ করছে। সারা দেশে সবুজ বেষ্টনী গড়ে তুলতে পারলে এসব দূষণ থেকে মুক্ত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে। তাছাড়া বৃক্ষরোপণের আর্থিক উপযোগিতাও রয়েছে। তাই আমাদের সকলকে এই বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য গাছের

Leave a Reply