চন্দনাইশে বাংলাদেশ সাংবাদিক ঐক্য ফোরামের ঈদ পূর্ণমিলনী ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচি

চন্দনাইশ

 

‘গাছ লাগাও পরিবেশ বাচাও’ এ স্লোগানকে সামনে রেখে দোহাজারী বনবিভাগ ও বাংলাদেশ স্কাউট চন্দনাইশ উপজেলার সহযোগিতায় জাতীয় বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি ও ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্টান পালন করেছে চন্দনাইশ উপজেলার সাংবাদিক ঐক্য ফোরাম সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ। আজ ০৬ আগষ্ট সকালে গাছবাড়িয়াস্থ নিজস্ব কার্যালয়ে বেশ কিছু সামাজিক সংগঠনের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করেন এই সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ। এ বৃক্ষরোপণ ও ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্টান কর্মসূচি উপলক্ষে সংগঠনটির সভাপতি মো.আবু তোরাব চৌধুর’র সভাপতিত্বে চারা বিতরণ ও ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মো.আবদুল জব্বার চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলার প্যানেল চেয়ারম্যান মাওলানা সোলাইমান ফারুকী, উপজেলা আ.লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হেলাল উদ্দীন চৌধুরী, দোহাজারী প্রেস ক্লাবের সাধারন সম্পাদক এম নাছির উদ্দীন বাবলু, কৃষকলীগ চন্দনাইশ উপজেলার সভাপতি হুমায়ুন কবির, স্কাউট চন্দনাইশ উপজেলার সাধারন সম্পাদক মো.আবুল বশর,প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক ফাউন্ডেশন চন্দনাইশ উপজেলার সভাপতি মো.নাজিম উদ্দীন। সাংবাদিক ঐক্য ফোরামের সাধারন সম্পাদক মো.কমরুদ্দিন ও সাংগঠনিক সম্পাদক মো.আমিনুল ইসলাম রুবেল এর সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সিনিয়র-সহ সভাপতি এস এম রাশেদ, সহ-সভাপতি এম ফয়েজুর রহমান, সদস্য যথাক্রমে এম এ মহসিন, খালেদ রায়হান, মো.জাহিদুর রহমান চৌধুরী, এম এ আলম শুভ, মো.আনোয়ার হোসেন আবির প্রমুখ। বৃক্ষরোপন কর্মসূচিতে উপস্থিত নেতৃবৃন্দরা বলেন, বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে বৈশ্বিক বিপর্যয় ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করে ভারসাম্য এবং বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। পরিবেশের ভারসাম্য ও সুষম জলবায়ুর প্রয়োজনে একটি দেশের মোট আয়তনের অন্ত ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা আবশ্যক। বৃক্ষহীনতার কারণে পৃথিবীর নতুন নতুন অঞ্চল মরুময় হয়ে পড়ছে। বিশ্বব্যাংকের মতে, বনের ওপর নির্ভরশীল বিশ্বের প্রায় ৫০ মিলিয়ন মানবজীবন সমস্যায় পড়তে পারে আগামী শতকের মাঝামাঝিতে। তিন দশমিক পাঁচ বিলিয়ন কিউবিক মিটার কাঠ ব্যবহার করে প্রতিবছর আট হাজার বর্গহেক্টর বনভূমি ধ্বংস করছে পৃথিবীর মানুষ। বনভূমি ধ্বংস হওয়ার ফলে পৃথিবীর উত্তর-দক্ষিণ এবং পূর্ব-পশ্চিমের বহু বন্যপ্রাণী ও সামুদ্রিক প্রাণী বিলুপ্ত হয়েছে।এশিয়া, আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকার বিস্তৃত এলাকার মরুময়তা রোধে ২০ হাজার হেক্টর ভূমিতে বনায়ন-বৃক্ষায়ন করা প্রয়োজন। বাংলাদেশে প্রয়োজনের তুলনায় বনভূমি খুব কম। তদুপরি জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে বনভূমি কাটার মাত্রাও ক্রমে বেড়ে যাচ্ছে। প্রকৃতির ভারসাম্য ঠিক রাখার জন্য কোনো দেশের মোট ভূমির ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা উচিত। তাই এ পরিবেশের ভারসাম্যকে রক্ষা করতে আমাদের প্রতিনিয়তে গাছ রোপন করতে হবে।

Leave a Reply